মোঃ জাহিদঃ
চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার সংহাই গ্রামের সামিয়া আক্তার (নিপু) পিতা আব্দুর রহিম গ্রাম সংহাই,পূর্বপাড়া বাড়ি থানা শাহরাস্তি জেলা চাঁদপুর।জানা যায় এই মেয়ের বাল্য বিয়ের ব্যপারে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শাহরাস্তি উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাকছুদা আক্তার সত্যতা পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন শাহরাস্তির উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কাছে দেয়।যে ঘটনায় কোট এফিডেভিটে করা স্বাক্ষী সূচিপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান সহ ৪ জন জড়িত আছে মর্মে খবর পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে জানা যায় বিষয়টি আড়াল করে মেয়ে ও ছেলের পরিবার বাঁচতে নাটক সাজিয়ে বলে বেড়ায় ছেলে মেয়ে পালিয়ে গেছে।খোঁজ নিয়ে জানা যায় ছেলে ও মেয়ে ঔ গ্রামে আছে।এলাকাবাসী জানায় মেয়েটিকে ছেলে ও তার বাবার বাড়িতে আসা যাওয়া করতে প্রতিনিয়ত দেখা যায়।ছেলে মেয়ে পালিয়ে গেছে এমন মিথ্যা কথা বলে এই আইন থেকে বাঁচতে মেয়ের বাবা ও কোট এফিডেভিটে করা স্বাক্ষী ইউপি সদস্যকে বাঁচাতে কৌশল অবলম্বন করছে ।বর্তমানে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন উপেক্ষা করে মেয়ের বাবা ছেলের কাছে মেয়েকে দেয় এক পর্যায় প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে উভয় পরিবার এই অপরাধ করে।শুধু তাই নয় মেয়েটি বর্তমানে ছেলের সাথে সংসার করছে বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বাল্য বিবাহের সত্যতা পেলেও।কোট এফিডেভিটে সই করার ঘটনায় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমানকে আড়াল করা হয়েছে বলে সূত্রমতে জানা যায়। তবে শাহরাস্তির ইউএনও মোহাম্মদ হুমায়ন রশিদ তার সৎ সাহসীকতায় কঠোর অবস্থানে থাকার কারনে বিষয়টি আইনি পদক্ষেপে এত দূর আসলেও।কিছু সুবিধাভোগী কর্মকর্তার কারনে বর্তমানে কোট এফিডেভিটে সই করার বিষয় এবং ফের জড়িয়ে পড়া ছেলে ও মেয়ের পরিবারের বিষয় সাধারন জনগন ইউএনও এর কানে তা পৌছাতে পারছে না। এলাকাবাসীর দাবী ঘটে যাওয়া বাল্য বিবাহ করানোর বিষয় শুধু জরিমানা নয় তাদের কঠোর আইনগত ব্যবস্থার আওতায় আনলে এ ঘটনায় কোট এফিডেভিটে সই করা জড়িত ইউপি সদস্য সহ অন্যন্যারা ধরা পড়বে।ফলে অন্যরা বাল্য বিবাহ করার কথা মাথায় নেবে না। সবাই এদেরকে দেখে শিক্ষা নিবে।বিষয়টি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)এর আসন্ন হস্তক্ষেপ কামনা করছেন